জয়তুন তেল (Olive Oil) এর নানাবিধ উপকারিতা:
জায়তুন একটি বরকতময় ফল। কেননা, আল্লাহ তাআলা সূরা তীন এ জায়তুন এর কসম খেয়েছেন। আল্লাহর (রাসূল সা.) এর তেল খেতে ও মালিশ করতে বলেছেন। তিনি বলেন:
كلوا الزيت وادهنوا به فإنه من شجرة مباركة
“তোমরা জায়তুনের তেল খাও এবং এর দ্বারা মালিশ কর।
কেননা, তা বরকতময় গাছ থেকে আসে।”
(তিরমিযী, আহমদ, ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন)
জয়তুন তেল বা Olive Oil এ অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে, যেগুলো (আল্লাহর অনুগ্রহে) আমাদের শরীরকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখে।
গবেষকরা দেখিয়েছেন:
🔰 জয়তুন তেল ব্যবহারে চুল এবং দাড়ি পড়া বন্ধ হয়।
🔰মেয়েদের রূপ বর্ধনের জন্য এটা অনেকটা কার্যকর।
🔰 জয়তুন তেল ত্বকে ব্যবহার করলে ব্রণ দূর হয় এবং ত্বক কুঁচকানো প্রতিরোধ করে।
🔰 খাবারে জয়তুনের তেল ব্যবহারের ফলে শরীরের ব্যাড ক্লোষ্টোরেল এবং গুড ক্লোষ্টোরেল নিয়ন্ত্রণ হয়।
🔰 জয়তুন তেলের আরেকটা গুণাবলি হল এটা পাকস্থলীর জন্য খুব ভালো এবং শরীরের এসিড কমায়।
🔰 যকৃৎ (Liver) পরিষ্কার করে, যেটা প্রতিটি মানুষের ২/৩ দিনে একবার করে দরকার হয়।
🔰 সাধারণত সন্তান হওয়ার পর মহিলাদের পেটে সাদা রঙের স্থায়ী দাগ পড়ে যায় । গর্ভধারণ করার পর থেকেই পেটে জয়তুন তেল (Olive Oil) মাখলে কোন জন্মদাগ পড়ে না। এটা একটা পরীক্ষিত ব্যাপার।
🔰 স্প্যানিশ (Spanish) গবেষকরা দেখিয়েছেন, খাবারে জয়তুন তেল ব্যবহার করলে ক্লোন ক্যান্সার (Colon cancer ) প্রতিরোধ হয়।
🔰 আরও কিছু গবেষক দেখিয়েছে, এটা ব্যাথা নাশক (Pain Killer) হিসাবে কাজ করে।
🔰 জয়তুন তেল যে কোষ্ঠ কাঠিন্য কমে, তা ইবনুল কাইয়্যূম তার “The Medicine of the Prophet (sm.)” বইয়ে তা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন ।
আমাদের ইসলাম ধর্মে জয়তুনের তেল খাওয়া এবং ব্যবহারের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
| ওজন |
২৫০ মিলি ,৫০০ মিলি ,১ লিটার |
|---|
